Mittwoch, 11. November 2009

শায়লা হকের শেষ পোস্ট : ভেরি ফানি.... মন্তব্যগুলিই আসল


১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১১

শেয়ার করুন: Facebook

একটা পোস্ট প্রকাশ হয়ে ১১৬টা কমেন্ট পাবার পরে অশ্লিলতার অভিযোগে মুছা হয়, এটা কেমনতরো মডারেশন? এক বছর পরে ফিরে সামহোয়ারে থাকতে চেয়েছিলাম। এই ঘটনার পরে আর থাকা যায় না।

বাই এভরি বডি !

  • ১৭ টি মন্তব্য
  • ১০৬ বার পঠিত,
আপনি একবার রেটিং দিয়েছেন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি report abuse
১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৪
comment by: শায়লা হক বলেছেন: আমিও জেনারেল! ওহ্ গড !
২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৫
comment by: রাতমজুর বলেছেন: কোনটা! ব্রা!
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: হ্যা

৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৬
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
আপানর ব্লগস্পটে আছে
Click This Link
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: আগেই ছিল। এখানে দিয়েছিলাম। অনেকেই অ্যাপ্রিসিয়েট করেছে।

৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৪
comment by: প্রতিধ্বনি, তুমিতো বলেছেন: ব্যপার্স না। এইটাই ব্লগিং.... লেখালেখি চালাইয়া যান।



আপনার কবিতাটা পরেছিলাম। ওটি যে খুব উৎকৃষ্ট সাহিত্য হয়েছিল তা না। তবে অশ্লীলতার দায়ে (তাও বেশ কয়েকদিন পর) মুছে ফেলাটা মাডারেটরদের নির্বুদ্ধিতা ছাড়া কিছু নয়।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: না এখানে বোধ হয় আর পারবো না। আই ফিল হাইলি ইনসালটেড।

৫. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৭
comment by: বিপ্লব কান্তি বলেছেন: কেউ হয়তো রিপোর্ট করেছিল। আমি ও প্রথমদিন করতাম কিন্তু আমি রিপোর্ট করিনা তাই করিনি ।

আপনার কবিতাটি মোটেই ভাল কিছু ছিল না, ব্রা নিয়ে লেখা কবিতাটির জন্য আপনার ব্লগে দুটি কমেন্ট করেছিলাম সেগুলো আপনার কবিতার পক্ষে যায় না। ভালোই হয়েছে । অন্য কিছু নিয়ে লিখুন।

আপনি কমেন্টের ব্যাপার উল্লেখ করেছেন , আপনাকে আবার ও বলি , একটি মেয়ে বা মেয়ে নামে কেউ ব্রা বা আন্ডারওয়ার নিয়ে কবিতা বা গল্প লিখবে আর তাতে ২০০-২৫০ টি কমেন্ট ও ২০০০ হিট পড়বেই এটাই ব্লগে সত্যি।



অসম্মানের কিছু নেই যদি আপনার পোষ্ট মুছে ফেলা হয় ।

ধন্যবাদ,

৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮
comment by: টিনটিন` বলেছেন: আশ্চর্য......ব্রা -র মধ্যে এরা অশ্লীলতার কি দেখলো? X(
৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৭
comment by: হাসান মাহবুব বলেছেন: অদ্ভুত! মডুরা কি খায়া মডারেশন করে? নিন্দা জানাই।
৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৪
comment by: শূন্য আরণ্যক বলেছেন: খুদাপেজ !
৯. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
comment by: মুরুববী বলেছেন: মডারেশনে ভুল ত্রুটি থাকতেই পারে, তবে আপনার বেপারে মডারেশন পারফেক্ট হইছে। কবিতাটা যথার্থই নোংরা ছিল। কমেন্টের বেপারে বিপ্লব কান্তি যা বলেছে ঠিক ই বলেছে। ইনসালটেড ফিল করার কিছু নাই.. ভাল কিছু লিখার চেষ্টা করেন।


টিনটিন` বলেছেন: আশ্চর্য......ব্রা -র মধ্যে এরা অশ্লীলতার কি দেখলো?

এদের ধরে চড়ানো দরকার। ব্রা নিয়া কবিতা যদি শ্লীল হয়, তাহলে এরা কি এদের বাবা-মার সামনে এই কবিতা আব্রিতি করতে পারবে? ফাজিলের দল।
১০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫১
comment by: টিনটিন` বলেছেন: মুরুব্বী চাচা.........আপনার সাথে আর বেয়দবী করলামনা। তবে আপনার মতো বলদের এইটুকু বোঝার ক্ষমতা নাই যে, কি উদ্দেশ্যে আমি কথাটা বলেছি।
১১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৪
comment by: ব্রুটাস বলেছেন: এদের ধরে চড়ানো দরকার। ব্রা নিয়া কবিতা যদি শ্লীল হয়, তাহলে এরা কি এদের বাবা-মার সামনে এই কবিতা আব্রিতি করতে পারবে? ফাজিলের দল

মোরব্বা,

তুমি যে একটা আকাট মুর্খ তার জন্য আমার মনে হয় তুমার নিজের গালেই জুতানো উচিত। অবশ্যই তুমি নিজে জুতাবা। এর পরের বাক্য লিখলে আবার আমারে ব্যান করবো মডুসীতা।
১২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৯
comment by: পাপী ০০৭ বলেছেন: কবিতা টা একটু বেশী সাহসী হয়েছিলো।আমরা এখনো এত সাহসী পাঠক হতে পারিনি।;)


ব্রা নিয়ে লিখবেন,সেটা আপনার ব্যপার।তবে সেটা রুপক অর্থে বলা উচিৎ ছিলো।
১৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৫
comment by: সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: পোলাপান দেখি খুব ম্যাচিওর হইয়া গেছে। চটি কবিতা পরার জন্য অশ্লীল রে শ্লীল বানাইতেছে।

এই পোলাপানের জুরি মেলা ভার। আপনেরা কেউ চটি কাট-কপি কইরা পোস্ট করেন, দেখবেন এরা কইবো- ভালো শ্বিল্প হইছে।
১৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৪
comment by: ব্রুটাস বলেছেন: একটা জিনিস স্পষ্ট কইরা বোঝা দরকার যে ব্লগ কোন সাহিত্য চর্চার জায়গা কি না বা চর্চা সম্ভব কি না। এইখানে দুইটা বিষয়

এক. ব্লগের মডারেশন কার হাতে আছে

দুই. ব্লগের রিডারশীপের গড় মান কেমন

কবিতাতে কী লিখা হয় ক্যান লিখা হয় সেইটা যারা কবিতা পড়ে না তারা জানেনা। তাদের অনেকেই মাঝে মাঝে কবিতার বই খুইলা স্তন, যোনী, নিতম্ব, মাই, পাছা, সঙ্গম এই সব শব্দ বিচ্ছিন্নভাবে দেইখা হাতে লুঙ্গীতে মাখামাখি করে।

একটা কবিতা কবিতা হইছে না হয় নাই স্বভাবতই তার বিচার উপরিউক্ত লোকেরা করবে না। এইখানে এলিটিজমের কিছু নাই। একটা লোক অ্যানাটমি না জাইনা ডাক্তারি করা আর পড়তে না জাইনা কবিতা নিয়া মন্তব্য করা সমান কথা।

কমিউনিটিব্লগে সবাই মন্তব্য করতে পারে বইলা কবিতার পোস্টেও কবিতা পড়তে না জানা লুকে জ্ঞানী মন্তব্য দেয়। শব্দ সম্পর্কে তাগো ব্যক্তিগত সুড়সুড়ির জটিলতা থিকা এক হাতে হাত মারে আরেক হাতে রিপোর্ট করে।

শায়লার ব্রা কবিতাটা কিন্তু স্বীকৃত কবিদের আর সমালোচকদের কাছে ঠিকই স্বীকৃত হইছে। এইখানে দেখেন Click This Link সবাইরে আমি শ্রদ্ধা করি না। কিন্তু তারা কবিতার পাঠক এই ব্যাপারে আমি নি:সন্দেহ। তাদের মধ্যে একাধিক মতপথের সমালোচক-কবিও আছে। সুতরাং ব্রা নামের মুইছা দেওয়া কবিতাটা কবিতা কি না সেই বিষয়ে ঐ কবিতায় আপত্তি জানানো ব্যক্তিদের মতামত না নিয়াই সরাসরি সিদ্ধান্তে নেওয়া যাইতে পারে।

সেই ক্ষেত্রে প্রথম যে বিবেচ্য'র কথা বললাম সেই মডারেশন কার হাতে। তার নিজের রুচি কোন স্তরের প্রশ্নের তীরটা সেইদিকেই যায়।

এইখানে একটা প্রশ্ন সামুর কবিরা করতে পারেন সরাসরি কর্তৃপক্ষের কাছে,

আপনাদের ব্লগে কি সাহিত্যচর্চা সম্ভব না সম্ভব না?

Mittwoch, 28. Oktober 2009

হিজবুত তাহরীর নিয়ে রিফাত ছাগুর পোস্ট,...যেইটা ছামুতে ডিলিট খাইছে

সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর



প্রথমেই নোট দিয়ে রাখি, হিজবুত তাহরীর নামে যে দলটিরে সম্প্রতি আওয়ামীলীগ সরকার নিষিদ্ধ করেছে তার রাজনৈতিক শ্লোগান 'খেলাফত' এবং এ বিষয়ে দলটির অবস্থান এর সাথে আমার ভিন্ন বোঝাপড়া আছে। সেটি খুবই ভিন্ন প্রসঙ্গ। কিন্তু সেই মতভিন্নতা দলটিরে নিষিদ্ধ করার মতো ফ্যাসিবাদি তৎপরতারে সমর্থন করার জন্য আমাকে প্ররোচিত করে না। 'ইসলাম', 'খেলাফত' এই বিষয়গুলোর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ফেনোমেনা সহ ইসলামের ভিতরকার কিছু তাৎপর্যপূর্ণ বিতর্ক আছে, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিচারে তার প্রগতিশীল পর্যালোচনাও জরুরী বলে মনে করি আমি।

কিন্তু নিষিদ্ধ করা কেন?

এ বিষয়ে বর্তমান সরকার একটি প্রেসনোট দিয়েছে। সরকারের প্রেসনোট অনুযায়ী, জননিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ হওনের কারণে সরকার হিজবুত তাহরীর নামে সংগঠনটিরে নিষিদ্ধ করেছে। ভাল কথা। তাহলে এখন জননিরাপত্তা বিষয়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ বৈকি। এই গুরুত্বপূর্ণতারে আমলে নিয়ে শব্দটির বিবিধ প্রয়োগ এবং ব্যবহারগুলিরে আসুন একটু ধর্তব্যে আনি।

সাম্প্রতিকতম সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে জননিরাপত্তার জন্য হুমকি আখ্যায়িত করে এগার-এক রেজিমের হোম মিনিস্ট্রি থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। তার সাথে একটি গোয়েন্দা রিপোর্টের কথাও বলা হয়েছিল, প্রথম আলো ডেইলি স্টার যেটি ফলাও করে প্রচার করেছিল। তিনি লগি-বৈঠা আহ্বান করে ঢাকার রাস্তা রক্তাক্ত করার পৈশাচিক কর্মকান্ডের একজন আসামীও ছিলেন। পরিহাস হলো, সেই সময়ে জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিশেবে ঘোষিত হাসিনাই বর্তমানে হিজবুতের টুটি টিপে ধরতে এই শব্দবন্ধটিরেই বেছে নিয়েছে।

আসলে এই জননিরাপত্তা ব্যাপারটি বেশ সরস, দরকারী জায়গাটিতে সব ফ্যাসিবাদিরাই তা প্রয়োগের মাধ্যমে বিপরীত মতকে দমনের সুযোগ গ্রহণ করে। প্রকৃত অর্থে জননিরাপত্তার জন্য হুমকির কথা যদি বলতেই হয় তাহলে প্রথমেই আসে আওয়ামীলীগ বিএনপির মত রাজনৈতিক দলগুলো, তারপরে প্রথম আলো ডেইলি ষ্টারের মত মিডিয়া, সুবিধাবাদি সুশীল সমাজ- যারা স্বার্থের বিনিময়ে দেশের সর্বস্ব বিকিয়ে দিতে দ্বিধা করে না। গণতন্ত্রের টুটি টিপে ধরে।

পত্রপত্রিকা পড়ে যদ্দুর জানা যায়,

হিজবুত তাহরীরের কোন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে কোনরকম চাঁদাবাজি, লুণ্ঠন, বা অস্ত্রসহ গ্রেফতার অথবা নাশকতামূলক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ উত্থাপন করতে পারে নাই সরকার। দুই হাজার এক সালে কার্যক্রম চালু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই দলটি সবচেয়ে প্রকাশ্য রাজনৈতিক দলগুলোর একটি।

গোয়েন্দা রিপোর্টে অন্য যে কয়েকটি সন্দেহভাজন দলের তালিকা দেওয়া হয়েছে সেগুলো প্রায় কোনোটাই কিন্তু প্রকাশ্য অস্তিত্ত্ব নাই। জরুরী অবস্থাসহ সব ধরণের বাঁধার পরিস্থিতিতেও টিপাইমুখ বাঁধ, পিলখানা ষড়যন্ত্র, সাগরের তেলগ্যাস রফতানি, এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর দেয়ার চেষ্টা, টাইগার শার্ক নামে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া, টিফা চুক্তি- এইসব দেশীয় স্বার্থ সংস্লিষ্ট ব্যাপারগুলোতে এই দলটির সোচ্চার তৎপরতার সংবাদ গণমাধ্যমগুলো জুড়ে সবসময় ছিল। তাহলে এই দলটি দেশ এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয় কীভাবে? 'জননিরাপত্তা'র সংজ্ঞা কী?

জননিরাপত্তার নামে এই ফ্যাসিবাদি চর্চাকে এখন গুরুতর প্রশ্ন করার সময় এসেছে। এগার একের রেজিমের উত্তরসুরি এই একদলীয় সংখ্যাগরিষ্ঠের সরকারের অতীতও গণমাধ্যম এবং সব ধরণের রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় বাকশাল গঠনের মত কালো উদাহরণে ভরপুর। বিজয়ের অব্যবহিত পরেই, উপজেলা নির্বাচন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক-রাজনৈতিক আন্দোলনের মুহূর্তগুলোতেও পৈশাচিক দমন এবং বল প্রয়োগের যে উদাহরণ তারা রেখেছেন, তাতে এই একদলীয় সরকারের ফ্যাসিষ্ট উপকরণগুলো স্পষ্ট হয়ে এসেছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের আরো অপরাপর তৎপরতাগুলো বিশ্লেষণ করে সচেতন মহল প্রশ্ন করতেই পারে যে, এর গন্তব্য কোথায়?

Dienstag, 27. Oktober 2009

২৮ অক্টোবর ২০০৯

আজ ২৮ অক্টোবর। প্রতিবছরের মতো এই বছরও সামহোয়ারইনে শুরু হয়েছে ছাগুদের ম্যাৎকার। শিবিরের আস্ফালনও থেমে নেই। দেখা যাক কী করা যায়।

Samstag, 24. Oktober 2009

ব্লগের দিনকাল

সামুতে একটু পান থেকে চুন খসলেই জেনারেল করে দেয় নাইলে ওয়াচে নিয়ে যায়। ছাগু পোন্দানোকে পবীত্র দায়িত্ব মনে করেছি চিরকাল। এখন দেখা যাচ্ছে পোন্দকের সামান্য আচ পেলেই আর রক্ষা নাই। এই ব্লগটা সম্ভবত জামাতের কারো কাছ থেকে টাকা পায়। হতে পারে কামারুজ্জামান বা অন্য কেউ। একসময় তারা চেয়েছে মৌলবাদী অবস্থান থেকে তর্ক করে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে। এখন তারা চাচ্ছে তাদেরকে যে ব্লগে একসময় পোন্দানো হয়েছে এই ইতিহাসটুকু আড়াল করতে। পুরনো কমরেডদের অনেকেই আমারব্লগে লিখেন। তারা এই বিষয়ে আর নতুন করে ভাবতে রাজী না। অথচ যেই জন্য এত আয়োজন করে একের পর এক রাজাকার ধরে পোন্দানো হলো এখন তার পুরোটাই ভেস্তে যাচ্ছে এতে তাদের আর কারো কোন মাথা ব্যাথা আছে বলে মনে হয় না। সবাই সামহোয়ার ছেড়ে হয় আমারব্লগে নয় সচলে চলে গেছে। যারা আছে তারা কালেভদ্রে পোস্ট দেন। এর ফলে ছাগুদের যেই সুবিধাগুলি তারা করে দিচ্ছেন :

১. বাংলা ভাষার প্রথম ব্লগিং প্লাটফর্মে আমরা(ছাগুরা) আছি। অনেক "ষড়যন্ত্র" করেও আমাদের হঠানো যায় নি।

২. বাকি প্লাটফর্মগুলি নিজেদের সবার জন্য উপযোগী করতে পারে নি।

৩. সুতরাং সহাবস্থান সাপেক্ষে আমাদেরকেও একটা পক্ষ হিসেবে গুণতে নতুন প্রজন্ম বাধ্য

Samstag, 17. Oktober 2009

কে?

সামহোয়ারে যদি ছাগুরা স্থায়ী হয়ে যায় তাহলে কে তার দায় নিবে? মডারেশন নাকি তথাকথিত সুশীল চক্র?